Kolkata to Dhaka Shipment During Lockdown

আমরা প্রতিনিয়তই একটা প্রশ্ন শুনে থাকি- লকডাউনে কি আপনাদের প্রোডাক্ট আসছে? এই প্রশ্নের উত্তর নিয়েই এই পোস্ট- Kolkata to Dhaka shipment during lockdown. আমরা আজ বিস্তারিত জানাবো যে এই লকডাউন পরিস্থিতিতে শিপমেণ্ট হচ্ছে কি’ না।

প্রথমতঃ এটা স্পষ্ট করে জানিয়ে রাখছি- ২০২০ সালের জুলাই মাসের পর থেকে কখনো লকডাউনে এয়ারপোর্ট, কার্গো ফ্লাইট বা কাস্টমস হাউজ বন্ধ ছিলো না। তাই আমাদের শিপমেণ্টও অব্যাহত রয়েছে। প্রতিটা লকডাউনের সময়েই আমাদের শিপমেণ্ট হয়েছে, এবং আমরা হাতে গোনা দুই/ তিনটা ছাড়া সবগুলো শিপমেণ্টই সময়মতো ডেলিভারী করেছি।

এখন আসি কেন এই প্রশ্নটা আসে, যে লকডাউনে আমাদের প্রোডাক্ট আসে কি’ না। আমরা আগের কিছু পোস্টেও বলেছি যে বাংলাদেশ-ভারত বর্ডার একেবারেই লাগোয়া হওয়ায় বিভিন্ন উপায়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রোডাক্ট আসে। তবে তার বেশিরভাগই বৈধভাবে ইমপোর্ট হয় না। চলমান পরিস্থিতিতে শুধুমাত্র বিশেষ কিছু ক্যাটাগরি ছাড়া ভারতীয় ভিসা প্রদান সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। তাই বন্ধ রয়েছে লাগেজ ক্যারিতে প্রোডাক্ট আনা। এছাড়াও Covid-19 এর কারণে বর্ডার এলাকাতে ব্যাপক কঠোর নজরদারির কারণে প্রায় সব উপায়েই ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রোডাক্ট আনা বন্ধ। সে কারণেই যারা বৈধভাবে ইমপোর্ট করেন না, তারা চলমান পরিস্থিতিতে ভারত থেকে বাংলাদেশে কোন পণ্য আনতে পারছেন না।

এই ধরনের প্রশ্নবাণে শুরুতে আমরা যেমন অবাক হয়েছি, তেমনি কিছু ক্লায়েণ্টের সাথে কথা বলে, ইমপোর্ট এর খরচ জানানোর পর আমরাও অবাক হয়েছি। এমনই কিছু ব্যাপার নিচে তুলে ধরা হলোঃ

১। GST/ IGST Bill: ভারত থেকে যেকোন পণ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে GST/ IGST প্রদান করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু আমরা এমন অনেকের সাথে কথা বলেছি যারা অনেক দিন থেকে ইণ্ডিয়ান প্রোডাক্ট এনে ব্যবসা করছেন কিন্তু GST/ IGST Bill কি তা-ই জানেন না। এই ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে পোস্টের নিচে ভিডিও লিংক পাবেন।

২। পেমেণ্ট এর জন্য কনভার্সন রেইটঃ আমরা আমাদের ক্লায়েণ্ট (সেলার/ রিসেলার/ হোলসেলার) এর থেকে রূপী প্রতি ১.৩৫ টাকা হারে চার্জ করি পেমেণ্টের জন্য। এই রেইট শুনলে অনেকেই আতকে উঠছেন! কারণ কি? কারণ তারা ১.২০ টাকা (+/-) হারে সব সময় পেমেণ্ট করে এসেছেন। তাহলে আমরা কি এতোটাই লাভ করে ফেলছি? আসলে তা না। কাস্টমস নির্ধারিত রূপীর কনভার্সন রেইট ১.২৫ টাকা।

৩। শিপিং চার্জঃ আমরা শিপমেণ্ট হওয়ার পূর্বে যে চার্জ জানাই তা আনুমানিক একটা চার্জ। প্রতিটা শিপমেণ্ট কাস্টমস ক্লিয়ারেন্সের পর আমরা প্রকৃত শিপিং চার্জ জানতে পারি। বেশিরভাগ সময়ই এটা আমরা যা নির্ধারণ করে থাকি তার মধ্যেই হয়ে থাকে, তবে Extreme কোন পরিস্থিতিতে এটা কমতে বা বাড়তে পারে। এই কথা আমরা তাদের জানালেই উল্টো আমাদের শুনতে হচ্ছে Costing না জানাতে পারলে ইমপোর্ট করবো কিভাবে!

যা-ই হোক, আশা করি যারা এতোদিন অনেক কনফিউজড ছিলেন যে লকডাউনের সময় আসলেই ইমপোর্ট হচ্ছে কি’ না তারা এই ব্যাপারে নিশ্চিত হতে পারবেন। সাথে এটাও বুঝতে পারবেন যে কিভাবে বৈধ উপায়ে বাংলাদেশে ভারত থেকে পণ্য ইমপোর্ট হয়, কি কি প্রয়োজন হয়, কনভার্সন রেইট কতো ইত্যাদি। সবাইকে অনুরোধ করবো যারা সাধারণ সময়ে ক্যারিয়ার বা অন্য কোন Unauthorized মাধ্যমে ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রোডাক্ট আনতেন তারা দয়া করে লিগ্যালি ইমপোর্ট করার চেষ্টা করবেন। এটা আপনার জন্যই সেইফ। খরচ অল্প কিছু বাড়ে, তবে আপনি নিরাপদ ভাবে বিজনেস করতে পারবেন। আমরা যে সকল আইটেম নিয়মিত ইমপোর্ট করি সেগুলো আপনি আমাদের কাছে যেকোন পরিমাণে অর্ডার করতে পারবেন। আমাদের সার্ভিসের ব্যাপারে আরো বিস্তারিত জানতে পারেন Our Services লিংক থেকে।

কেমন লাগলো আমাদের Kolkata to Dhaka Shipment During Lockdown পোস্টটি কমেণ্ট করে জানাতে পারেন।

Back to blog